Wednesday, January 22, 2014

৯৪. মুনাজাত বা দোয়া বা প্রার্থনা


মুনাজাত বা দোয়া করার পদ্ধতি
তোমাদের প্রভূকে ডাকো
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ও চুপে চুপে।
অবশ্যি তিনি সীমা লংঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
দুনিয়ায় সুস্থ পরিবেশ বহাল করার পর
আর সেখানে অশান্তি-বিপর্যয় সৃষ্টি করো না।
আল্লাহকেই ডাকো ভীতি ও আশা সহকারে।
নিশ্চিতভাবেই আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীল লোকদের নিকবর্তী।
(সূরা আরাফঃ ৫৫-৫৬)

কুরয়ানুল কারীমের কিছু মুনাজাত


আল্লাহ কারোর ওপর তার সামর্থের অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা চাপান না।
প্রত্যেক ব্যক্তি যে নেকী উপার্জন করেছে তার ফল তার নিজেরই জন্য
এবং যে গোনাহ সে অর্জন করেছে, তার প্রতিফলও তারই উপর বর্তাবে।
(হে ঈমানদারগণ, তোমরা এভাবে দোয়া চাওঃ)
“হে আমাদের রব! ভুল-ভ্রান্তিতে আমরা যেসব গোনাহ করে বসি,
তুমি সেগুলো পাকড়াও করো না।
হে প্রভু! আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপিয়ে দিয়ো না,
যা তুমি আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলে।
হে আমাদের প্রতিপালক!
যে বোঝা বহন করার সামর্থ্য আমাদের নেই,
তা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ো না।
আমাদের প্রতি কোমল হও,
আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো
এবং আমাদের প্রতি করুণা করো।
তুমি আমাদের অভিভাবক।
কাফেরদের মোকাবিলায় তুমি আমাদের সাহায্য করো।“
(সূরা বাকারাঃ ২৮৬)
যে সমস্ত বুদ্ধিমান লোক উঠতে, বসতে ও শয়নে
সব অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে
এবং আকাশ ও পৃথিবীর গঠনাকৃতি নিয়ে চিন্তা- ভাবনা করে,
তাদের জন্য রয়েছে বহুতর নিদর্শন।
(তারা আপনা আপনি বলে ওঠেঃ)
“হে আমাদের প্রভু!
এসব তুমি অনর্থক ও উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে সৃষ্টি করো নি।
বাজে ও নিরর্থক কাজ করা থেকে তুমি পাক-পবিত্র ও মুক্ত।
কাজেই হে প্রভু! জাহান্নামের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করো।
তুমি যাকে জাহান্নামে ফেলে দিয়েছো,
তাকে আসলে বড়ই লাঞ্ছনা ও অপমানের মধ্যে ঠেলে দিয়েছো
এবং এহেন জালেমদের কোন সাহায্যকারী হবে না।
হে আমাদের মালিক! আমরা একজন আহ্বানকারীর আহ্বান শুনেছিলাম।
তিনি আমাদেরকে ঈমানের দিকে আহবান করছিলেন।
তিনি বলছিলেন, তোমরা নিজেদের সৃষ্টিকর্তাকে মেনে নাও।
আমরা তার আহবান গ্রহণ করেছি।
কাজেই, হে আমাদের প্রভু!
আমরা যেসব অপরাধ করছি তা ক্ষমা করে দাও।
আমাদের মধ্যে যেসব অসৎবৃত্তি আছে
সেগুলো আমাদের থেকে দূর করে দাও
এবং ভাল লোকদের সাথে আমাদের শেষ পরিণতি দান করো।
হে আমাদের প্রভূ! তোমার বার্তাবাহকদের মাধ্যমে
তুমি যেসব অংগীকার করেছো আমাদের সাথে, সেগুলো পূর্ণ করো
এবং কিয়ামতের দিন আমাদের লাঞ্ছনার গর্তে ফেলে দিয়ো না।
নিঃসন্দেহে তুমি অংগীকার ভংগকারী নও।”
জবাবে তাদের প্রভূ বললেনঃ
“আমি তোমাদের কারো কর্মকাণ্ড নষ্ট করবো না।
পুরুষ হও বা নারী, তোমরা সবাই একই জাতির অন্তর্ভুক্ত।
কাজেই যারা আমার জন্য নিজেদের স্বদেশ ভূমি ত্যাগ করেছে
এবং আমার পথে যাদেরকে
নিজেদের ঘর বাড়ি থেকে বের করে দেয়া ও কষ্ট দেয়া হয়েছে
এবং যারা আমার জন্য লড়েছে ও মারা গেছে,
তাদের সমস্ত অপরাধ আমি ক্ষমা করে দেবো
এবং তাদেরকে এমন সব বাগানে প্রবেশ করাবো
যার নীচে দিয়ে ঝরণাধারা বয়ে চলবে।
এসব হচ্ছে আল্লাহর কাছে তাদের প্রতিদান
এবং সবচেয়ে ভালো প্রতিদান আল্লাহর কাছেই আছে।”
(সূরা আলে ইমরানঃ ১৯১-১৯৫)

৯৫. বিতর্কের ক্ষেত্রে যুক্তি প্রমান হতে হবে কোরআনের (দলিল আল্লাহর নাজিল করা কিতাব)

সে বললোঃ “তোমাদের রবের অভিসম্পাত পড়েছে তোমাদের ওপর এবং তাঁর গযবও। তোমরা কি আমার সাথে এমন কিছু নাম নিয়ে বিতর্ক করছো, যেগুলো তৈরী করেছো তোমরা ও তোমাদের বাপ-দাদারা এবং যেগুলোর স্বপক্ষে আল্লাহ‌ কোন সনদ নাযিল করেননি? ঠিক আছে, তোমরা অপেক্ষা করো এবং আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করছি।” ৭/৭১

৯৬. যেমন কর্ম তেমন ফল

আমার নিদর্শনসমূহকে যারাই মিথ্যা বলছে এবং আখেরাতের সাক্ষাতের কথা অস্বীকার করেছে, তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড ব্যর্থ হয়ে গেছে। যেমন কর্ম তেমন ফল-এছাড়া লোকেরা কি আর কোন প্রতিদান পেতে পারে? ৭/১৪৭

৯৭. যাদের সকল কাজ ব্যর্থ

আমার আয়াতসমূহকে যারাই মিথ্যা বলছে এবং আখেরাতের সাক্ষাতের কথা অস্বীকার করেছে, তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড ব্যর্থ হয়ে গেছে। যেমন কর্ম তেমন ফল-এছাড়া লোকেরা কি আর কোন প্রতিদান পেতে পারে? ৭/১৪৭

সময়ের কসম। মানুষ আসলে বড়ই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করতে থেকেছে এবং একজন অন্যজনকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিতে থেকেছে। সূরা আসর/২-৩

৯৮. রাসূলের আনুগত্য

রাসূল (দঃ) আল্লাহর আয়াতের আনুগত্য করতেন আমাদেরকেও তাই করতে হবে তবেই রাসূল (দঃ) এর প্রকৃত আনুগত্য হবে। আল কোরআনের আয়াত,

হে মুহাম্মাদ! বলে দাও, “হে মানব সম্প্রদায়, আমি তোমাদের জন্য সেই আল্লাহর রসূল হিসেবে এসেছি, যিনি পৃথিবী ও আকাশ মণ্ডলীর সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধিকারী। তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান। কাজেই ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি এবং তার প্রেরিত সেই নিরক্ষর নবীর প্রতি, যে আল্লাহ‌ ও তাঁর বাণীর প্রতি ঈমান আনে এবং তার আনুগত্য করে। আশা করা যায়, এভাবে তোমরা সঠিক পথ পেয়ে যাবে। ৭/১৫৮

৯৯. মূসা (আঃ) এর সংগীদের অবস্থা

মূসার অনুপস্থিতিতে তার জাতির লোকেরা নিজেদের অলংকার দিয়ে বাছুরের মূর্তি তৈরী করলো। তার মুখ দিয়ে গরুর মত 'হাম্বা' রব বের হতো। তারা কি দেখতে পেতো না যে, ঐ বাছুর তাদের সাথে কথাও বলে না আর কোন ব্যাপারে তাদেরকে পথনির্দেশনাও দেয় না? কিন্তু এরপরও তাকে মাবুদে পরিণত করলো। বস্তুত তারা ছিল বড়ই জালেম।
তারপর যখন তাদের প্রতারণার জাল ছিন্ন হয়ে গেলো এবং তারা দেখতে পেলো যে, আসলে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে তখন বলতে লাগলোঃ “যদি আমাদের রব আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন এবং আমাদের ক্ষমা না করেন, তাহলে আমরা ধ্বংস হয়ে যাবো।”
ওদিকে মূসা ফিরে এলেন তার জাতির কাছে ক্রুদ্ধ ও ক্ষুব্ধ অবস্থায়। এসেই বললেনঃ “আমার অনুপস্থিতিতে তোমরা আমার বড়ই নিকৃষ্ট প্রতিনিধিত্ব করেছো! তোমরা কি নিজেদের রবের হুকুমের অপেক্ষা করার মত এতটুকু সবরও করতে পারলে না?” সে ফলকগুলো ছুঁড়ে দিল এবং নিজের ভাইয়ের (হারুন) মাথার চুল ধরে টেনে আনলো। হারুন বললোঃ “হে আমার সহোদর! এ লোকগুলো আমাকে দুর্বল করে ফেলেছিল এবং আমাকে হত্যা করার উপক্রম করেছিল। কাজেই তুমি শত্রুর কাছে আমাকে হাস্যাম্পদ করো না এবং আমাকে এ জালেম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করো না। তখন মূসা বললোঃ “হে আমার রব! আমাকে ও আমার ভাইকে ক্ষমা করো এবং তোমার অনুগ্রহের মধ্যে আমাদের দাখিল করে নাও, তুমি সবচাইতে বেশী অনুগ্রহকারী।” (জওয়াবে বলা হলো) “যারা বাছুরকে মাবুদ বানিয়েছে তারা নিশ্চয়ই নিজেদের রবের ক্রোধের শিকার হবেই এবং দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছিত হবে। মিথ্যা রচনাকারীদেরকে আমি এমনি ধরনের শাস্তিই দিয়ে থাকি। আর যারা খারাপ কাজ করে তারপর তাওবা করে নেয় এবং ঈমান আনে, এক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে এ তাওবা ও ঈমানের পর তোমার রব ক্ষমাশীল ও করুণাময়। তারপর মূসার ক্রোধ প্রশমিত হলে সে ফলকগুলি উঠিয়ে নিল। যারা নিজেদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য ঐ সব ফলকে ছিল পথনির্দেশ ও রহমত। আর মূসা (তার সাথে) আমার নির্ধারিত সময়ে হাযির হবার জন্য নিজের জাতির সত্তর জন লোককে নির্বাচিত করলো। যখন তারা একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে আক্রান্ত হলো তখন মূসা বললোঃ “হে প্রভু! তুমি চাইলে আগেই এদেরকে ও আমাকে ধ্বংস করে দিতে পারতে। আমাদের মধ্য থেকে কিছু নির্বোধ লোক যে অপরাধ করেছিল সেজন্য কি তুমি আমাদের সবাইকে ধ্বংস করে দেবে? এটি তো ছিল তোমার পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা, এর মাধ্যমে তুমি যাকে চাও পথভ্রষ্ট করো আবার যাকে চাও হেদায়াত দান করো। তুমিই তো আমাদের অভিভাবক। কাজেই আমাদের মাফ করে দাও এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। ক্ষমাশীলদের মধ্যে তুমিই শ্রেষ্ঠ। আর আমাদের জন্য এ দুনিয়ার কল্যাণ লিখে দাও এবং আখেরাতেরও, আমরা তোমার দিকে ফিরেছি।” জওয়াবে বলা হলোঃ “শাস্তি তো আমি যাকে চাই তাকে দিয়ে থাকি, কিন্তু আমার অনুগ্রহ সব জিনিসের ওপর পরিব্যাপ্ত হয়ে আছে। কাজেই তা আমি এমন লোকদের নামে লিখবো যারা নাফরমানী থেকে দূরে থাকবে, যাকাত দেবে এবং আমার আয়াতের প্রতি ঈমান আনবে। ৭/১৪৮-১৫৬
মূসার জাতির মধ্যে এমন একটি দলও ছিল, যারা সত্য অনুযায়ী পথনির্দেশ দিতো এবং সত্য অনুযায়ী ইনসাফ করতো। ৭/১৫৯

Tuesday, January 21, 2014

১০০. আল্লাহর আয়াত অনুসরন না করা জালেমদের অবস্থা

আর ওজন হবে সেদিন যথার্থ সত্য। যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই হবে সফলকাম এবং যাদের পাল্লা হালকা হবে তারা নিজেরাই হবে নিজেদের ক্ষতি সাধনকারী। কারণ তারা আমার আয়াতের সাথে জালেম সুলভ আচরণ চালিয়ে গিয়েছিল। 
সূরা আল আরাফ/৮-৯

১০১. রাসূলদের এবং তাঁদের অনুসারীদের আল্লাহর আয়াত পৌছিয়ে দেবার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে

কাজেই যাদের কাছে আমি রসূল পাঠিয়েছি তাদেরকে অবশ্যি জিজ্ঞাসাবাদ করবো এবং রসূলদেরকেও জিজ্ঞেস করবো (তারা পয়গাম পৌঁছিয়ে দেবার দায়িত্ব কতটুকু সম্পাদন করেছে এবং এর কি জবাব পেয়েছে) । তারপর আমি নিজেই পূর্ণ জ্ঞান সহকারে সমুদয় কার্যবিবরণী তাদের সামনে পেশ করবো। আমি তো আর সেখানে অনুপস্থিত ছিলাম না!
সূরা আল আরাফ/৬-৭

১০২. কোরআন অস্বীকারকারীরা জালেম আর তাদের ধ্বংস করে দেয়া হবে

কত জনপদ আমি ধ্বংস করে দিয়েছি। তাদের ওপর আমার আযাব অকস্মাত ঝাঁপিয়ে পড়েছিল রাতের বেলা অথবা দিনের বেলা যখন তারা বিশ্রামরত ছিল। আর যখন আমার আযাব তাদের ওপর আপতিত হয়েছিল তখন তাদের মুখে এছাড়া আর কোন কথাই ছিল না যে, “সত্যিই আমরা জালেম ছিলাম।” সূরা আল আরাফঃ ৪-৫

১০৩. খুব কম লোকই কোরআন মানবে

তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা কিছু নাযিল করা হয়েছে (কোরআন) তার অনুসরণ করো এবং নিজেদের রবকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না। কিন্তু তোমাদের মধ্যে খুব কম লোকই উপদেশ (কোরআন) অনুসরন করে থাক। সূরা আল আরাফ-৩।

১০৪. অনুসরন করতে হবে একমাত্র কোরআনের

তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা কিছু নাযিল করা হয়েছে (কোরআন) তার অনুসরণ করো এবং নিজেদের রবকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না। কিন্তু তোমাদের মধ্যে খুব কম লোকই উপদেশ (কোরআন) অনুসরন করে থাক। সূরা আল আরাফ-৩।

১০৫. রাসূলের দায়িত্ব কোরআন দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা, যিকির হচ্ছে কোরআন


এটি তোমার প্রতি নাযিল করা একটি কিতাব। কাজেই তোমার মনে যেন এর সম্পর্কে কোন সংকোচ না থাকে। এটি নাযিল করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, এর মাধ্যমে তুমি সতর্ক করবে এবং মুমিনদের জন্য এটি হবে যিকির বা স্মারক। সূরা আল আরাফ-২।

Monday, January 20, 2014

১০৬. ধর্মব্যবসায়ী মোল্লা, হুজুর, বুজুর্গ, আলেম, ওলামা, দরবেশ, পীর-ফকির, রাজনৈতিক নেতাদের সম্পর্কে

তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের উলামা ও দরবেশদেরকে নিজেদের খোদায় পরিণত করেছে। এবং এভাবে মারিয়াম পুত্র মসীহকেও। অথচ তাদের মা’বুদ ছাড়া আর কারোর বন্দেগী করার হুকুম দেয়া হয়নি, এমন এক মাবুদ যিনি ছাড়া ইবাদত লাভের যোগ্যতা সম্পন্ন আর কেউ নেই। তারা যেসব মুশরিকী কথা বলে তা থেকে তিনি পাক পবিত্র।  তারা চায় তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে। কিন্তু আল্লাহ‌ তার আলোকে পূর্ণতা দান করে ক্ষান্ত হবেন না, তা কাফেরদের কাছে যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন।  আল্লাহই তার রসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দ্বীন সহকারে পাঠিয়েছেন যাতে তিনি একে সকল প্রকার দ্বীনের ওপর বিজয়ী করেন, মুশরিকরা একে যতই অপছন্দ করুক না কেন। ৯/৩১-৩৩

আর আমি যে কিতাব পাঠিয়েছি তার ওপর ঈমান আন। তোমাদের কাছে আগে থেকেই যে কিতাব ছিল এটি তার সত্যতা সমর্থনকারী। কাজেই সবার আগে তোমরাই এর অস্বীকারকারী হয়ো না। সামান্য দামে আমার আয়াত বিক্রি করো না। আমার গযব থেকে আত্মরক্ষা করো। ২/৪১


কাজেই তাদের জন্য ধ্বংস অবধারিত যারা স্বহস্তে শরীয়াত রচনা করে তারপর লোকদের বলে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে। এভাবে তারা এর বিনিময়ে সামান্য স্বার্থ লাভ করে। তাদের হাতের এই লিখন তাদের ধ্বংসের কারণ এবং তাদের এই উপার্জনও তাদের ধ্বংসের উপকরণ। ২/৭৯


আর যারা আল্লাহ‌র সাথে করা অঙ্গীকার ও নিজেদের শপথ সামান্য দামে বিকিয়ে দেয়, তাদের জন্য আখেরাতে কোন অংশ নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহ‌ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদেরকে পাক–পবিত্রও করবেন না। বরং তাদের জন্য রয়েছে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। ৩/৭৭


এ আহলি কিতাবদের সেই অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দাও, যা আল্লাহ‌ তাদের থেকে নিয়েছিলেন। তাতে বলা হয়েছিলঃ তোমরা কিতাবের শিক্ষা মানুষের মধ্যে প্রচার করবে, তা গোপন করতে পারবে না। কিন্তু তারা কিতাবকে পিছনে ফেলে রেখেছে এবং সামান্য দামে তা বিক্রি করে দিয়েছে। কতই না নিকৃষ্ট কারবার তারা করে যাচ্ছে! ৩/১৮৭


আহলি কিতাবদের মধ্যেও এমন কিছু লোক আছে, যারা আল্লাহকে মানে তোমাদের কাছে যে কিতাব পাঠানো হয়েছে তার ওপর ঈমান আনে এবং এর আগে তাদের নিজেদের কাছে যে কিতাব পাঠানো হয়েছিল তার ওপরও ঈমান রাখে, যারা আল্লাহর সামনে বিনত মস্তক এবং আল্লাহর আয়াতকে সামান্য দামে বিক্রি করে না। তাদের প্রতিদান রয়েছে তাদের রবের কাছে। আর তিনি হিসেব চুকিয়ে দেবার ব্যাপারে দেরী করেন না। ৩/১৯৯


আমি তাওরাত নাযিল করেছি। তাতে ছিল পথ নির্দেশ ও আলো। সমস্ত নবী, যারা মুসলিম ছিল, সে অনুযায়ী এ ইহুদী হয়ে যাওয়া লোকদের যাবতীয় বিষয়ের ফায়সালা করতো। আর এভাবে রব্বানী ও আহবারও (এরই ওপর তাদের ফায়সালার ভিত্তি স্থাপন করতো) । কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাব সংরক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এবং তারা ছিল এর ওপর সাক্ষী। কাজেই (হে ইহুদী গোষ্ঠী!) তোমরা মানুষকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় করো এবং সামান্য তুচ্ছ মূল্যের বিনিময়ে আমার আয়াত বিক্রি করা পরিহার করো। আল্লাহর নাযিল করা আইন অনুযায়ী যারা ফায়সালা করে না তারাই কাফের। ৫/৪৪


তারা আল্লাহর আয়াতের বিনিময়ে সামান্যতম মূল্য গ্রহণ করে নিয়েছে। তারপর আল্লাহ‌ পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা যা করতে অভ্যস্ত, তা অত্যন্ত খারাপ কাজ। ৯/৯


আল্লাহর অঙ্গীকারকে সামান্য লাভের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়ো না। যা কিছু আল্লাহর কাছে আছে তা তোমাদের জন্য বেশী ভালো, যদি তোমরা জানতে। ১৬/৯৫

১০৭. Quran Verses in Chronological Order

Chronological Order
Sooreh Name
Verses Revelation
Traditional Order
1 Alaq (Al-) 19 Mecca 96
2 Qalam (Al-) 52 Mecca 68
3 Muzammil (Al-) 20 Mecca 73
4 Mudathir (Al-) 56 Mecca 74
5 Fatehah  7 Mecca 1
6 Masad (Al-) 5 Mecca 111
7 Takwir (Al-) 29 Mecca 81
8 A'la (Al-) 19 Mecca 87
9 Leyl (Al-) 21 Mecca 92
10 Fajr (Al-) 30 Mecca 89
11 Dhuha (Al-) 11 Mecca 93
12 Sharh (Al-) 8 Mecca 94
13 Asr (Al-) 3 Mecca 103
14 Aadiyat (Al-) 11 Mecca 100
15 Kauthar (Al-) 3 Mecca 108
16 Takathur (Al-) 8 Mecca 102
17 Ma'un (Al-) 7 Mecca 107
18 Kafirun (Al-) 6 Mecca 109
19 Fil (Al-) 5 Mecca 105
20 Falaq (Al-) 5 Mecca 113
21 Nas (Al-) 6 Mecca 114
22 Ikhlas (Al-) 4 Mecca 112
23 Najm (Al-) 62 Mecca 53
24 Abasa 42 Mecca 80
25 Qadr (Al-) 5 Mecca 97
26 Shams (Al-) 15 Mecca 91
27 Bhruj (Al-) 22 Mecca 85
28 T'in (Al-) 8 Mecca 95
29 Qureysh 4 Mecca 106
30 Qariah (Al-) 11 Mecca 101
31 Qiyamah (Al-) 40 Mecca 75
32 Humazah (Al-) 9 Mecca 104
33 Mursalat (Al-) 50 Mecca 77
34 Q'af 45 Mecca 50
35 Balad (Al-) 20 Mecca 90
36 Tariq (Al-) 17 Mecca 86
37 Qamr (Al-) 55 Mecca 54
38 Sad 88 Mecca 38
39 A'Raf (Al-) 206 Mecca 7
40 J'nn (Al-) 28 Mecca 72
41 Ya'sin 83 Mecca 36
42 Farqan (Al-) 77 Mecca 25
43 Fatir 45 Mecca 35
44 Maryam 98 Mecca 19
45 Ta Ha 135 Mecca 20
46 Waqiah (Al-) 96 Mecca 56
47 Shuara (Al-) 226 Mecca 26
48 Naml (Al-) 93 Mecca 27
49 Qasas (Al-) 88 Mecca 28
50 Israa (Al-) 111 Mecca 17
51 Yunus 109 Mecca 19
52 Hud 123 Mecca 11
53 Yousuf 111 Mecca 12
54 Hijr (Al-) 99 Mecca 15
55 Ana'm (Al-) 165 Mecca 6
56 Saffat (Al-) 182 Mecca 37
57 Luqman 34 Mecca 31
58 Saba 54 Mecca 34
59 Zamar (Al-) 75 Mecca 39
60 Ghafer 85 Mecca 40
61 Fazilat 54 Mecca 41
62 Shura (Al-) 53 Mecca 42
63 Zukhruf (Al-)  89 Mecca 43
64 Dukhan (Al-) 59 Mecca 44
65 Jathiyah (Al-) 37 Mecca 45
66 Ahqaf (Al-) 35 Mecca 46
67 Dhariyat (Al-) 60 Mecca 51
68 Ghashiya (Al-) 26 Mecca 88
69 Kahf (Al-) 110 Mecca 18
70 Nahl (Al-) 128 Mecca 16
71 Noah 28 Mecca 71
72 Ibhrahim 52 Mecca 14
73 Anbiya (Al-) 112 Mecca 21
74 Muminun (Al-) 118 Mecca 23
75 Sajdah (Al-) 30 Mecca 32
76 Tur (Al-) 49 Mecca 52
77 Mulk (Al-) 30 Mecca 67
78 Haqqah (Al-) 52 Mecca 69
79 Maarij (Al-) 44 Mecca 70
80 Naba (Al-) 40 Mecca 78
81 Naziat (Al-) 46 Mecca 79
82 Infitar (Al-) 19 Mecca 82
83 Inshiqaq (Al-) 25 Mecca 84
84 Rum (Al-) 60 Mecca 30
85 Ankabut (Al-) 69 Mecca 29
86 Motafefin (Al-) 36 Mecca 83
87 Baqarah (Al-) 286 Madina 2
88 Anfal (Al-) 75 Madina 8
89 Imran (Al-) 200 Madina 3
90 Ahzab (Al-) 73 Madina 33
91 Mumtahana (Al-) 13 Madina 60
92 Nisa (Al-)  176 Madina 4
93 Zilzaleh (Al-) 8 Madina 99
94 Hadid (Al-) 29 Madina 57
95 Muhammad 38 Madina 47
96 Ra'd (Al-) 43 Madina 13
97 Rahman (Al-) 78 Madina 55
98 Ensan (Al-) 31 Madina 76
99 Talaq (Al-) 12 Madina 65
100 Beyinnah (Al-) 8 Madina 98
101 Hashr (Al-) 24 Madina 59
102 Nur (Al-) 64 Madina 24
103 Hajj (Al-) 78 Madina 22
104 Munafiqun (Al-) 11 Madina 63
105 Mujadila (Al-) 22 Madina 58
106 Hujurat (Al-) 18 Madina 49
107 Tahrim (Al-) 12 Madina 66
108 Taghabun (Al-) 18 Madina 64
109 Saff (Al-) 14 Madina 61
110 Jumah (Al-) 11 Madina 62
111 Fath (Al-) 29 Madina 48
112 Maidah (Al-) 120 Madina 5
113 Taubah (Al-) 129 Madina 9
114 Nasr (Al-) 3 Madina 110

Thursday, January 16, 2014

১০৮. রিযিক

যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে, নামায কায়েম করে এবং যে রিযিক আমি তাদেরকে দিয়েছি তা থেকে খরচ করে। ২.২

তুমি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের মধ্যে। জীবনহীন থেকে জীবন্তের আবির্ভাব ঘটাও এবং জীবন্ত থেকে জীবনহীনের। আর যাকে চাও তাকে তুমি বেহিসেব রিযিক দান করো। ৩.২৭

হায়, যদি তারা তাওরাত, ইনজিল ও অন্যান্য কিতাবগুলো প্রতিষ্ঠিত করতো, যা তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল! তাহলে তাদের জন্য রিযিক ওপর থেকেও বর্ষিত হতো এবং নীচে থেকেও উত্থিত হতো। তাদের মধ্যে কিছু লোক সত্যপন্থী হলেও অধিকাংশই অত্যন্ত খারাপ কাজে লিপ্ত। ৫.৬৬

আল্লাহ তোমাদের যে হালাল ও পবিত্র রিযিক দিয়েছেন তা থেকে পানাহার করো এবং সেই আল্লাহর নাফরমানী থেকে দূরে থাকো যার ওপর তোমরা ঈমান এনেছো। ৫.৮৮

সাচ্চা ঈমানদার তো তারাই, আল্লাহকে স্মরণ করা হলে যাদের হৃদয় কেঁপে ওঠে। আর আল্লাহর আয়াত যখন তাদের সামনে পড়া হয়, তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা নিজেদের রবের ওপর ভরসা করে। তারা নামায কায়েম করে এবং যা কিছু আমি তাদেরকে দিয়েছি তা থেকে (আমার পথে) খরচ করে। এ ধরনের লোকেরাই প্রকৃত মুমিন। তাদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে বিরাট মর্যাদা, ভুলত্রুটির ক্ষমা ও উত্তম রিযিক। সূরা আনফালঃ ২-৪

যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর পথে বাড়ি-ঘর ত্যাগ করেছে এবং জিহাদ করেছে আর যারা আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য-সহায়তা করেছে তারাই সাচ্চা মুমিন। তাদের জন্য রয়েছে ভুলের ক্ষমা ও সর্বোত্তম রিযিক। সূরা আনফালঃ ৭৪

তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, “কে তোমাদের আকাশ ও পৃথিবী থেকে রিযিক দেয়? এই শুনার ও দেখার শক্তি কার কর্তৃত্বে আছে? কে প্রাণহীন থেকে সজীবকে এবং সজীব থেকে প্রাণহীনকে বের করে? কে চালাচ্ছে এই বিশ্ব ব্যবস্থাপনা?” তারা নিশ্চয়ই বলবে, আল্লাহ। বলো, তবুও কি তোমরা (সত্যের বিরোধী পথে চলার ব্যাপারে। ) সতর্ক হচ্ছো না? সূরা ইউনূস-৩১ 

ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী এমন কোন প্রাণী নেই যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর বর্তায় না এবং যার সম্পর্কে তিনি জানেন না, কোথায় সে থাকে এবং কোথায় তাকে সোপর্দ করা হয়। সবকিছুই একটি পরিষ্কার কিতাবে লেখা আছে।  সূরা হুদ-৬

 শো’আয়েব বললোঃ “ভাইয়েরা! তোমরা নিজেরাই ভেবে দেখো, যদি আমি আমার রবের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট সাক্ষ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকে থাকি, তারপর তিনি আমাকে উত্তম রিযিক দান করেন (তাহলে এরপর আমি তোমাদের গোমরাহী ও হারামখোরীর কাজে তোমাদের সাথে কেমন করে শরীক হতে পারি?) আর যেসব বিষয় থেকে আমি তোমাদের বিরত রাখতে চাই আমি নিজে কখনো সেগুলোতে লিপ্ত হতে চাই না। আমি তো আমার সাধ্য অনুযায়ী সংশোধন করতে চাই। যা কিছু আমি করতে চাই তা সবই আল্লাহর তাওফীকের ওপর নির্ভর করে। তাঁরই ওপর আমি ভরসা করেছি এবং সব ব্যাপারে তাঁরই দিকে রুজু করি। সূরা হুদ-৮৮

তাদের অবস্থা হয় এই যে, নিজেদের রবের সন্তুষ্টির জন্য তারা সবর করে, নামায কায়েম করে, আমার দেয়া রিযিক থেকে প্রকাশ্যে ও গোপনে খরচ করে এবং ভালো দিয়ে মন্দ দূরীভূত করে। আখেরাতের গৃহ হচ্ছে তাদের জন্যই। অর্থাৎ এমন সব বাগান যা হবে তাদের চিরস্থায়ী আবাস।  সূরা আর রাদ-২২

আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রিযিক সম্প্রসারিত করেন এবং যাকে চান মাপাজোকা রিযিক দান করেন। এরা দুনিয়ার জীবনে উল্লসিত, অথচ দুনিয়ার জীবন আখেরাতের তুলনায় সামান্য সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।   সূরা আর রাদ-২৬

এরা যাদের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানেনা, আমার দেয়া রিযিক থেকে তাদের অংশ নির্ধারণ করে আল্লাহর কসম, অবশ্যি তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, কেমন করে তোমরা এ মিথ্যা রচনা করেছিলে?  সূরা আন নাহল-৫৬

আর দেখো, আল্লাহ তোমাদের একজনকে আর একজনের ওপর রিযিকের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। তারপর যাদেরকে এ শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে তারা এমন নয় যে নিজেদের রিযিক নিজেদের গোলামদের দিকে ফিরিয়ে দিয়ে থাকে, যাতে উভয়ে এ রিযিকে সমান অংশীদার হয়ে যায়। তাহলে কি এরা শুধু আল্লাহরই অনুগ্রহ মেনে নিতে অস্বীকার করে? সূরা আন নাহল-৭১

আর তারা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন সব সত্ত্বার পূজা করে যাদের না আকাশ থেকে তাদের কিছু রিযিক দেবার ক্ষমতা ও অধিকার আছে, না পৃথিবী থেকে? সূরা আন নাহল-৭৩

আল্লাহ একটি উপমা দিচ্ছেন। একজন হচ্ছে গোলাম, যে অন্যের অধিকারভুক্ত এবং নিজেও কোন ক্ষমতা রাখে না। দ্বিতীয়জন এমন এক ব্যক্তি যাকে আমি নিজের পক্ষ থেকে ভালো রিযিক দান করেছি এবং সে তা থেকে প্রকাশ্যে ও গোপনে খুব খরচ করে। বলো, এরা দু’জন কি সমান? ---আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু অধিকাংশ লোক (এ সোজা কথাটি) জানে না। আন নাহল-৭৫

আল্লাহ একটি জনপদের দৃষ্টান্ত দেন। সেটি শান্তি ও নিরাপত্তার জীবন যাপন করছিল এবং সবদিক দিয়ে সেখানে আসছিল ব্যাপক রিযিক, এ সময় তাঁর অধিবাসীরা আল্লাহর নিয়ামতসমূহ অস্বীকার করলো। তখন আল্লাহ‌ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের স্বাদ আস্বাদন করালেন এভাবে যে, ক্ষুধা ও ভীতি তাদেরকে গ্রাস করলো।   
আন নাহল-১১২

কাজেই হে লোকেরা! আল্লাহ‌ তোমাদের যা কিছু পাক-পবিত্র ও হালাল রিযিক দিয়েছেন তা খাও এবং আল্লাহর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, যদি তোমরা সত্যিই তাঁর বন্দেগী করতে বদ্ধপরিকর হয়ে থাকো। আল্লাহ যা কিছু তোমাদের ওপর হারাম করেছেন তা হচ্ছে, মৃতদেহ, রক্ত, শূয়োরের গোশত এবং যে প্রাণীর ওপর আল্লাহ‌ ছাড়া অন্য কারোর নাম নেয়া হয়েছে। তবে যদি কেউ আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধাচরণ করার ইচ্ছা পোষণ না করে অথবা প্রয়োজনের সীমা না ছাড়িয়ে ক্ষুধার জ্বালায় বাধ্য হয়ে এসব খেয়ে নেয় তাহলে নিশ্চিতই আল্লাহ‌ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। আন নাহলঃ ১১৪-১১৫

আত্মীয়কে তার অধিকার দাও এবং মিসকীন ও মুসাফিরকেও তাদের অধিকার দাও। বাজে খরচ করো না। যারা বাজে খরচ করে তারা শয়তানের ভাই আর শয়তান তার রবের প্রতি অকৃতজ্ঞ। যদি তাদের থেকে (অর্থাৎ অভাবী, আত্মীয়-স্বজন, মিসকীন ও মুসাফির) তোমাকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হয় এজন্য যে, এখনো তুমি প্রত্যাশিত রহমতের সন্ধান করে ফিরছো, তাহলে তাদেরকে নরম জবাব দাও।
নিজের হাত গলায় বেঁধে রেখো না এবং তাকে একেবারে খোলাও ছেড়ে দিয়ো না, তাহলে তুমি নিন্দিত ও অক্ষম হয়ে যাবে। তোমার রব যার জন্য চান রিযিক প্রশস্ত করে দেন আবার যার জন্য চান সংকীর্ণ করে দেন। তিনি নিজের বান্দাদের অবস্থা জানেন এবং তাদেরকে দেখছেন। দারিদ্রের আশঙ্কায় নিজেদের সন্তান হত্যা করো না। আমি তাদেরকেও রিযিক দেবো এবং তোমাদেরকেও। আসলে তাদেরকে হত্যা করা একটি মহাপাপ। সূরা বনী ইসরাঈলঃ ২৬-৩১

এতো আমার অনুগ্রহ, আমি বনী আদমকে মর্যাদা দিয়েছি এবং তাদেরকে জলে-স্থলে সওয়ারী দান করেছি, তাদেরকে পাক-পবিত্র জিনিস থেকে রিযিক দিয়েছি এবং নিজের বহু সৃষ্টির ওপর তাদেরকে সুস্পষ্ট প্রাধান্য দিয়েছি। সূরা বনী ইসরাঈলঃ ৭০

তাদের জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী জান্নাত, যার প্রতিশ্রুতি করুণাময় নিজের বান্দাদের কাছে অদৃশ্য পন্থায় দিয়ে রেখেছেন। আর অবশ্যই এ প্রতিশ্রুতি পালিত হবেই। সেখানে তারা কোন বাজে কথা শুনবে না, যা কিছুই শুনবে ঠিকই শুনবে। আর সকাল-সন্ধ্যায় তারা অনবরত নিজেদের রিযিক লাভ করতে থাকবে। 
সূরা মারয়ামঃ ৬১-৬২

খাও আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক এবং তা খেয়ে সীমালংঘন করো না, অন্যথায় তোমাদের ওপর আমার গযব আপতিত হবে। আর যার ওপর আমার গযব আপতিত হয়েছে তার পতন অবধারিত। সূরা ত্বহা-৮১ 

আর চোখ তুলেও তাকাবে না দুনিয়াবী জীবনের শান-শওকতের দিকে, যা আমি এদের মধ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের লোকদেরকে দিয়ে রেখেছি। এসব তো আমি এদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করার জন্য দিয়েছি এবং তোমার রবের দেয়া হালাল রিযিকই উত্তম ও অধিকতর স্থায়ী। নিজের পরিবার পরিজনকে নামায পড়ার হুকুম দাও এবং নিজেও তা নিয়মিত পালন করতে থাকো। আমি তোমার কাছে কোন রিযিক চাই না, রিযিক তো আমিই তোমাকে দিচ্ছি এবং শুভ পরিণাম তাকওয়ার জন্যই। সূরা ত্বহাঃ ১৩১-১৩২

প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি কুরবানীর একটি নিয়ম ঠিক করে দিয়েছি, যাতে (সে উম্মতের) লোকেরা সে পশুদের ওপর আল্লাহর নাম নেয় যেগুলো তিনি তাদেরকে দিয়েছেন। (এ বিভিন্ন নিয়মের উদ্দেশ্য একই) কাজেই তোমাদের ইলাহও সে একজনই এবং তোমরা তাঁরই ফরমানের অনুগত হয়ে যাও। আর হে নবী! সুসংবাদ দিয়ে দাও বিনয়ের নীতি অবলম্বনকারীদেরকে, যাদের অবস্থা এই যে, আল্লাহর নাম স্মরণ করা হলে তাদের হৃদয় কেঁপে ওঠে, যে বিপদই তাদের ওপর আসে তার ওপর তারা সবর করে, নামায কায়েম করে এবং যা কিছু রিযিক তাদেরকে আমি দিয়েছি তা থেকে খরচ করে। সূরা আল হাজ্জ্বঃ ৩৪-৩৫

আর যারা আল্লাহর পথে হিজরত করেছে তারপর নিহত হয়েছে বা মারা গেছে, আল্লাহ‌ তাদেরকে ভালো জীবিকা দেবেন এবং নিশ্চয়ই আল্লাহই সবচেয়ে ভালো রিযিকদাতা। সূরা আল হাজ্জ্বঃ ৫৮

তুমি কি তাদের কাছে কিছু চাচ্ছো? তোমার জন্য তোমার রব যা দিয়েছেন, সেটাই ভালো এবং তিনি সবচেয়ে ভালো রিযিকদাতা।   সূরা আল মুমিনুনঃ ৭২

যাদেরকে আমি এর আগে কিতাব দিয়েছিলাম তারা এর (কুরআন) প্রতি ঈমান আনে। আর যখন তাদেরকে এটা শুনানো হয়, তারা বলো, “আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি, এটি যথার্থই সত্য আমাদের রবের পক্ষ থেকে, আমরা তো আগে থেকেই মুসলিম।” তারা এমন লোক যাদেরকে দু’বার পারিশ্রমিক দেয়া হবে এমন অবিচলতার প্রতিদানে যা তারা দেখিয়েছে। তারা ভালো দিয়ে মন্দের মোকাবিলা করেছে এবং আমি তাদেরকে যা কিছু রিযিক দিয়েছি তা ব্যয় করে। সূরা আল কাছাছঃ ৫২-৫৪ 

তারা বলে, “যদি আমরা তোমার সাথে এ হেদায়াতের অনুসরণ করি তাহলে নিজেদের দেশ থেকে আমাদেরকে উৎখাত করে দেয়া হবে।”৮০ এটা কি সত্য নয়, একটি নিরাপদ হারমকে আমি তাদের জন্য অবস্থানস্থলে পরিণত করেছি, যেদিকে সব ধরনের ফলমূল চলে আসে আমার পক্ষ থেকে রিযিক হিসেবে? কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। সূরা আল কাছাছঃ ৫৭

যারা আগের দিন তার মতো মর্যাদা লাভের আকাংখা পোষণ করছিল তারা বলতে লাগলো, “আফসোস, আমরা ভুলে গিয়েছিলাম যে, আল্লাহ‌ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা তার রিযিক প্রসারিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা তাকে সীমিত রিযিক দেন। যদি আল্লাহ‌ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করতেন, তাহলে আমাদেরও ভূগর্ভে পুতে ফেলতেন। আফসোস, আমাদের মনে ছিল না, কাফেররা সফলকাম হয় না” সে আখেরাতের গৃহ তো আমি তাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেবো যারা পৃথিবীতে নিজেদের বড়াই চায় না এবং চায় না বিপর্যয় সৃষ্টি করতে। আর শুভ পরিণাম রয়েছে মুত্তাকীদের জন্যই। সূরা আল কাছাছঃ ৮২-৮৩

তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে পূজা করছো তারা তো নিছক মূর্তি আর তোমরা একটি মিথ্যা তৈরি করছো। আসলে আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে তোমরা পূজা করো তারা তোমাদের কোন রিযিকও দেবার ক্ষমতা রাখে না, আল্লাহর কাছে রিযিক চাও, তাঁরই বন্দেগী করো এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তারই দিকে তোমাদের ফিরে যেতে হবে। আর যদি তোমরা মিথ্যা আরোপ করো, তাহলে পূর্বে বহু জাতি মিথ্যা আরোপ করেছে এবং রাসূলের ওপর পরিষ্কারভাবে পয়গাম পৌঁছিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন দায়িত্ব নেই।” সূরা আল আনকাবুতঃ ১৭-১৮


আল্লাহই তার গোলামদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা রিযিক প্রসারিত করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সংকীর্ণ করে দেন। নিশ্চিতভাবে আল্লাহ‌ সব জিনিস জানেন। 
সূরা আল আনকাবুত- ৬২





Sunday, January 12, 2014

১১০. মসজিদ

কোন মসজিদে যাবেন যার ইমাম (নেতা) মসজিদ কমিটির গোলাম? যে মসজিদ হারামের উপর প্রতিষ্ঠিত? যে মসজিদ কমিটির লোকগুলো নিখাদ দুনিয়াদার? যে ইমাম নামাজ পড়িয়ে তার বিনিময়ে টাকা নেয়? কোন জামাতে অংশ নেবেন যেখানে একজনও ঈমানদার নেই বরং মুশরিক আর কাফেরের আড্ডা?

আল্লাহ বলেন, "আরো কিছু লোক আছে, যারা একটি মসজিদ নির্মাণ করেছে (সত্যের দাওয়াতকে) ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে, (আল্লাহর বন্দেগী করার পরিবর্তে) কুফরী করার জন্য মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এবং (এ বাহ্যিক ইবাদতগাহকে) এমন এক ব্যক্তির জন্য গোপন ঘাটি বানাবার উদ্দেশ্যে যে ইতিপূর্বে আল্লাহ‌ ও তার রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। তারা অবশই কসম খেয়ে বলবে, ভালো ছাড়া আর কোন ইচ্ছাই আমাদের ছিল না। কিন্তু আল্লাহ‌ সাক্ষী, তারা একেবারেই মিথ্যেবাদী।  তুমি কখনো সেই ঘরে দাঁড়াবে না। যে মসজিদে প্রথম দিন থেকে তাকওয়ার ভিত্তেতে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল সেই মসজিদটি দাঁড়ানোরই (ইবাদতের জন্য) তোমার পক্ষে অধিকতর সমীচীন। সেখানে এমন লোক আছে যারা পাক-পবিত্র থাকা পছন্দ করে এবং আল্লাহ‌ পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে ভালবাসেন।" আল কোরআন/ ৯.১০৭-১০৮।

আল্লাহ বলেন, " মুশরিক যখন নিজেরাই নিজেদের কুফরীর সাক্ষ্য দিচ্ছে তখন আল্লাহর মসজিদসমূহের রক্ষণাবেক্ষণকারী ও খাদেম হওয়া তাদের কাজ নয়। তাদের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেছে এবং তাদেরকে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে।  তারাই হতে পারে আল্লাহর মসজিদ আবাদকারী (রক্ষণাবেক্ষণকারী ও সেবক) যারা আল্লাহর ও পরকালকে মানে, নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ‌ কে ছাড়া আর কাউকে ভয় করেনা। তাদেরই ব্যাপারে আশা করা যেতে পারে যে, তারা সঠিক সোজা পথে চলবে।" আল কোরআন/ ৯.১৭-১৮।

Saturday, January 11, 2014

১১২ কোরআনই অন্তর্দৃষ্টি বা বাছায়ের

এটা (কোরয়ান) সব মানুষের জন্য অন্তর্দৃষ্টি এবং যারা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে তাদের জন্য হিদায়াত ও রহমত। ৪৫.২০

১১৩. প্রবৃত্তিকে আল্লাহর শরীক করা (শিরক)

তুমি কি কখনো সেই ব্যক্তির অবস্থা ভেবে দেখেছো যে তার প্রবৃত্তির কামনা বাসনাকে খোদা বানিয়ে নিয়েছে আর জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আল্লাহ তাকে গোমরাহীর মধ্যে নিক্ষেপ করেছেন, তার দিলে ও কানে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং চোখে আবরণ সৃষ্টি করেছেন।  আল্লাহ ছাড়া আর কে আছে যে তাকে হিদায়াত দান করতে পারে? তোমরা কি কোন শিক্ষা গ্রহণ করো না? আল কোরয়ান/৪৫.২৩

তাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা মনযোগ দিয়ে তোমার কথা শোনে এবং যখন তোমার কাছ থেকে চলে যায় তখন যাদেরকে জ্ঞানের নিয়ামত দান করা হয়েছে তাদের জিজ্ঞেস করে যে, এই মাত্র তিনি কী বললেন? এরাই সেসব লোক যাদের অন্তরে আল্লাহ‌ তা’আলা মোহর লাগিয়ে দিয়েছেন। তারা তাদের প্রবৃত্তির অনুসারী হয়ে গিয়েছে।
আল কোরয়ান/৪৭.১৬

প্রকৃতপক্ষে এসব তোমাদের বাপ-দাদাদের রাখা নাম ছাড়া আর কিছুই না। এজন্য আল্লাহ‌ কোন সনদপত্র নাযিল করেননি। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছে, মানুষ শুধু ধারণা ও প্রবৃত্তির বাসনার দাস হয়ে আছে। অথচ তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের কাছে হিদায়াত এসেছে। আল কোরয়ান/৫৩.২৩

অথচ এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞানই নেই। তারা কেবলই বদ্ধমূল ধারণার অনুসরণ করছে। আর ধারণা কখনো জ্ঞানের প্রয়োজন পূরণে কোন কাজে আসতে পারে না। আল কোরয়ান/৫৩.২৮

কিন্তু এসব লোকের অবস্থা হচ্ছে তারা যে নিদর্শনই দেখে, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে এ তো গতানুগতিক যাদু।  এরা (একেও) অস্বীকার করলো এবং নিজেদের প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করলো। প্রত্যেক বিষয়কে শেষ পর্যন্ত একটা পরিণতি লাভ করতে হয়। আল কোরয়ান/৫৪.২-৩

১১৪. রিযিক আসে আসমান থেকে

আসমানেই রয়েছে তোমাদের রিযিক এবং সে জিনিসও যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেয়া হচ্ছে। আল কোরয়ান-৫১.২২

আল্লাহ নিজেই রিযিকদাতা এবং অত্যন্ত শক্তিধর ও পরাক্রমশালী। আল কোরয়ান-৫১.৫৮

১১৫. মৃত্যুর পর প্রশ্ন

অহীর মাধ্যমে তোমার কাছে যে কিতাব পাঠানো হয়েছে 
সর্বাবস্থায় তুমি দৃঢ়ভাবে তা আঁকড়ে থাকো।
নিশ্চয়ই তুমি সোজা পথে আছো।  
প্রকৃত সত্য হলো, 
এ কিতাব তোমার ও তোমার কর্মের জন্য 
অনেক বড় একটি মর্যাদা 
এবং এজন্য অচিরেই তোমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
(সূরা আয যুখরুফ/৪৩-৪৪)

আর সেদিনের কথা একবার চিন্তা করো,
যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্য থেকে 

এমন সব লোকদের এক একটি দলকে ঘেরাও করে আনবো 
যারা আমার বানীসমূহ অস্বীকার করতো। 
তারপর তাদেরকে (তাদের শ্রেণী অনুসারে স্তরে স্তরে) বিন্যস্ত করা হবে। 
অবশেষে যখন সবাই এসে যাবে 
তখন (তাদের প্রভূ তাদেরকে) জিজ্ঞেস করবেন, 
“তোমরা আমার বানীসমূহ অস্বীকার করেছো 
অথচ তোমরা জ্ঞানগতভাবে তা আয়ত্ত করো নি। 
যদি এ না হয়ে থাকে তাহলে তোমরা আর কি করেছিলে?” 
(সূরা আন নামল/৮৩-৮৫)

একে অপরের থেকে বেশী 

দুনিয়ার স্বার্থ লাভ করার মোহ 
তোমাদেরকে উদাসীনতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। 
এমনকি (এই চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে) 
তোমরা কবর পর্যন্ত পৌঁছে যাও। 
কখ্খনো না, শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।
আবার (শুনে নাও) 

কখ্খনো না শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। 
কখ্খনো না, যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞানের ভিত্তিতে 
(এই আচরণের পরিণাম) জানতে 
(তাহলে তোমরা এ ধরনের কাজ করতে না)। 
 তোমরা জাহান্নাম দেখবেই। 
আবার (শুনে নাও) 
তোমরা একেবারে স্থির নিশ্চিতভাবে তা দেখবেই। 
তারপর অবশ্যই সেদিন তোমাদেরকে 
এই নিয়ামতগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 
(সূরা আত তাকাসুর)